বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের জগৎ যখন ধীরে ধীরে বিকশিত হচ্ছিল, তখন দেশীয় খেলোয়াড়দের জন্য একটি নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও বাংলা ভাষায় পরিচালিত প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠল। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলোতে বাংলায় সাপোর্ট ছিল না, পেমেন্ট ঝামেলাপূর্ণ ছিল এবং বাংলাদেশি পরিবেশের সাথে সেগুলোর কোনো মিল ছিল না। এই শূন্যতা পূরণ করতেই j7j-এর জন্ম।
j7j প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিল একদল উৎসাহী প্রযুক্তি ও গেমিং বিশেষজ্ঞের দল, যারা বিশ্বাস করতেন যে বাংলাদেশের মানুষ সেরা মানের গেমিং অভিজ্ঞতার দাবিদার। ঢাকার গ্যারেজ থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ আজ দেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদনের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রামের সমুদ্রকূল থেকে সিলেটের চা-বাগান পর্যন্ত — j7j-এর নাম আজ সুপরিচিত।
আমাদের দলটি গঠিত হয়েছে অভিজ্ঞ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, গেমিং বিশ্লেষক, গ্রাহক সেবা বিশেষজ্ঞ ও ফিনটেক পেশাদারদের নিয়ে। এই বৈচিত্র্যময় দলটি একটি লক্ষ্যে একত্রিত: বাংলাদেশের প্রতিটি গেমারের জন্য বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। BPL মৌসুমে টিকেট না পেলেও j7j-তে লাইভ বেটিং করে নিজের পছন্দের দলকে সমর্থন দেওয়া যায় — এটাই আমাদের অনন্যতা।
j7j শুরু থেকেই bKash, Nagad ও Rocket-এর মতো স্থানীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সাথে যুক্ত হয়েছে। কারণ আমরা জানি, রাজশাহীর একজন কৃষকের ছেলে বা খুলনার একজন তরুণ উদ্যোক্তা — সবাই চায় যেন তাদের পরিচিত মাধ্যমে সহজে জমা ও উত্তোলন করতে পারেন। কোনো জটিল ব্যাংক ট্রান্সফার নয়, শুধু মোবাইলের কয়েকটি ট্যাপেই কাজ শেষ।
আজ j7j কেবল একটি বেটিং বা ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম নয়। এটি একটি সম্পূর্ণ বিনোদন ইকোসিস্টেম। BPL ও IPL ক্রিকেট বেটিং, Evolution Gaming-এর লাইভ ক্যাসিনো, Pragmatic Play-এর হাজারো স্লট, ফিশার গেম ও কয়েন গেম — সবকিছু একটি লগইনের আওতায়। আমরা প্রতিদিন উন্নতি করে যাচ্ছি, কারণ আমাদের খেলোয়াড়রা সেরাটাই প্রাপ্য।
j7j সবসময় দায়িত্বশীল গেমিং নীতিতে বিশ্বাসী। আমরা চাই আমাদের প্ল্যাটফর্ম হোক বিনোদনের জায়গা, উদ্বেগের নয়। শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীরাই j7j-এ খেলতে পারবেন। দায়িত্বশীল খেলা নিয়ে আমাদের বিস্তারিত গাইডলাইন সর্বদা পাওয়া যায়।